স্বাস্থ্য ভাল রাখতে ভাত বা রুটির সঙ্গে ডাল, সব্জি এবং স্যালাড খেতে বলেন চিকিৎসক, পুষ্টিবিদেরা। ডাল উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের অন্যতম উৎস। এতে মেলে কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার। ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, জিঙ্কের মতো খনিজের পাশাপাশি বিভিন্ন রকম ডাল অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টেরও উৎস।
কিন্তু নিয়ম করে ডাল খেতে ভাল লাগে না। ভাতের পাতে পাতলা ডাল বা রুটির সঙ্গে পাঁচমিশালি ডাল না খেয়ে, বিভিন্ন রকম ডাল দিয়ে বানিয়ে ফেলুন স্বাস্থ্যকর তবে মুখোরচক সব খাবার।
মুসুর ডালের টিকিয়া: মুসুর ডাল প্রোটিনে ভরপুর অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর। তা দিয়ে বানিয়ে ফেলুন মুখরোচক খাবার। মুসুর ডাল ধুয়ে আধ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। জল ফেলে দিয়ে মিক্সারে ডাল দিন, যোগ করুন পেঁয়াজের টুকরো, রসুন ২-৩ কোয়া, অল্প একটু আদা, স্বাদমতে নুন, কাঁচালঙ্কা, কসৌরি মেথি, টাটকা ধনেপাতা। সমস্ত উপকরণ ঘুরিয়ে নিন। মিশ্রণটি যেন বেশ শুকনো থাকে। হাতের সাহায্যে গোল চ্যাপ্টা টিকিয়ার আকার দিন। ননস্টিক তাওয়ায় তেল বা ঘি ব্রাশ করে উল্টে-পাল্টে সেঁকে নিন।
সবুজ মুগকলাইয়ের ধোকলা: মুগকলাইও পুষ্টিগুণে ভরপুর। তা দিয়ে বানিয়ে নিন নরম ধোকলা। মুগকলাই রাতভর ভিজিয়ে মিক্সারে আদা, কাঁচালঙ্কা, স্বাদমতো নুন এবং সাদা তেল দিয়ে ঘুরিয়ে নিন। যোগ করুন পাতিলেবুর রস এবং ফ্রুট সল্ট। একটি পাত্রে তেল মাখিয়ে মিশ্রণটি ঢেলে দিন। একটি বড় পাত্রে জল দিন। তার উপর স্ট্যান্ড রেখে মুগকলাইয়ের মিশ্রণ ঢেলে রাখা পাত্রটি বসিয়ে দিন। উপর থেকে ঢাকনা দিয়ে দিন। প্রথমে মাঝারি আঁচ, পরে কম আঁচে মোট ১০-১২ মিনিট রাখলেই ধোকলা তৈরি হয়ে যাবে। ঠান্ডা হলে চৌকো করে কেটে নিন। উপর থেকে সেদ্ধ কাঁচলঙ্কা, সর্ষে-ফোড়ন দিয়ে পরিবেশন করুন।
মটর চাট: মটর রাতভর ভিজিয়ে রাখুন। নুন-হলুদ দিয়ে সেদ্ধ করে জল ঝরিয়ে নিন। পেঁয়াজ, কাঁচালঙ্কা, টম্যাটোকুচি, লেবুর রস, চাট মশলা, সৈন্ধব নুন, ভাজা মশলা দিয়ে ভাল করে মাখিয়ে নিন।
কিন্তু নিয়ম করে ডাল খেতে ভাল লাগে না। ভাতের পাতে পাতলা ডাল বা রুটির সঙ্গে পাঁচমিশালি ডাল না খেয়ে, বিভিন্ন রকম ডাল দিয়ে বানিয়ে ফেলুন স্বাস্থ্যকর তবে মুখোরচক সব খাবার।
মুসুর ডালের টিকিয়া: মুসুর ডাল প্রোটিনে ভরপুর অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর। তা দিয়ে বানিয়ে ফেলুন মুখরোচক খাবার। মুসুর ডাল ধুয়ে আধ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। জল ফেলে দিয়ে মিক্সারে ডাল দিন, যোগ করুন পেঁয়াজের টুকরো, রসুন ২-৩ কোয়া, অল্প একটু আদা, স্বাদমতে নুন, কাঁচালঙ্কা, কসৌরি মেথি, টাটকা ধনেপাতা। সমস্ত উপকরণ ঘুরিয়ে নিন। মিশ্রণটি যেন বেশ শুকনো থাকে। হাতের সাহায্যে গোল চ্যাপ্টা টিকিয়ার আকার দিন। ননস্টিক তাওয়ায় তেল বা ঘি ব্রাশ করে উল্টে-পাল্টে সেঁকে নিন।
সবুজ মুগকলাইয়ের ধোকলা: মুগকলাইও পুষ্টিগুণে ভরপুর। তা দিয়ে বানিয়ে নিন নরম ধোকলা। মুগকলাই রাতভর ভিজিয়ে মিক্সারে আদা, কাঁচালঙ্কা, স্বাদমতো নুন এবং সাদা তেল দিয়ে ঘুরিয়ে নিন। যোগ করুন পাতিলেবুর রস এবং ফ্রুট সল্ট। একটি পাত্রে তেল মাখিয়ে মিশ্রণটি ঢেলে দিন। একটি বড় পাত্রে জল দিন। তার উপর স্ট্যান্ড রেখে মুগকলাইয়ের মিশ্রণ ঢেলে রাখা পাত্রটি বসিয়ে দিন। উপর থেকে ঢাকনা দিয়ে দিন। প্রথমে মাঝারি আঁচ, পরে কম আঁচে মোট ১০-১২ মিনিট রাখলেই ধোকলা তৈরি হয়ে যাবে। ঠান্ডা হলে চৌকো করে কেটে নিন। উপর থেকে সেদ্ধ কাঁচলঙ্কা, সর্ষে-ফোড়ন দিয়ে পরিবেশন করুন।
মটর চাট: মটর রাতভর ভিজিয়ে রাখুন। নুন-হলুদ দিয়ে সেদ্ধ করে জল ঝরিয়ে নিন। পেঁয়াজ, কাঁচালঙ্কা, টম্যাটোকুচি, লেবুর রস, চাট মশলা, সৈন্ধব নুন, ভাজা মশলা দিয়ে ভাল করে মাখিয়ে নিন।
ফারহানা জেরিন